রাজনীতি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
রাজনীতি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮

বালাগঞ্জের বোয়ালজুরে আনোয়ারুজ্জামান চৌ: মতবিনিময় সভা!

বালাগঞ্জে আনোয়ারুজ্জামান
চৌধুরীর মতবিনিময় : ‘ কর্মী হয়ে
এলাকার মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে
কাজ করতে চাই’

বাালাগঞ্জ প্রতিনিধি :
বালাগঞ্জে সিলেট ২ আসনের
আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশি,
যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের যুগ্ন
সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুজ্জামান
চৌধুরী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
হয়েছে।
এ উপলক্ষে ৫ জানুয়ারি সোমবার
সন্ধায় উপজেলার বোয়ালজুড়
ইউনিয়নের কালিবাড়ীবাজারে
আয়োজিত মতবিনিময় সভায়
সভাপতিত্ব করেন উপজেলা আওয়ামী
লীগ নেতা আব্দুল মন্নান।
সভায় প্রধান অতিথি’র বক্তব্যে
যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের যুগ্ন
সাধারণ সম্পাদক ও সিলেট ২ আসনের
আওয়ামী লীগের (নৌকার) মনোনয়ন
প্রত্যাশি আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী
বলেন- জননেত্রী শেখ হাসিনা
বিশ্ব মানবতার নেত্রী, আমি
তাহার একজন কর্মী হয়ে এলাকার
মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করতে
চাই, এলাকার সন্তান ও স্বজন
হিসেবে সকলের দোয়া ও
সহযোগিতা চেয়ে তিনি জামাত-
বিএনপি’র সমালোচনা করে বলেন-
দেশের স্বাধীনতা বিরোধি এবং
গরীব-দুঃখি ও এতিমদের টাকা
আত্মাৎ কারীদের কোন ক্ষমা নেই…।
সভায় প্রধান বক্তার বক্তৃতা করেন
বালাগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী
লীগের সভাপতি ও উপজেলা
পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো.
মোস্তাকুর রহমান মফুর।
সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সাবেক
সহসভাপতি আবরার আহমদ চৌধুরী ও
বোয়ালজুড় ইউনিয়ন ছাত্রলীগের
সাধারণ সম্পাদক জাহেদ আলী
রিপনের যৌথ পরিচালনায় সভায়
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা
করেন ও উপস্থিত ছিলেন সিলেট
জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও
ওসমানীনগর আওয়ামী লীগের সাবেক
সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দাল মিয়া,
সিলেট জেলা যুবলীগের সভাপতি ও
তাজপুর ডিগ্রি কলেজের সাবেক
ভিপি শামীম আহমদ, যুক্তরাজ্য
আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা আব্দুল
খালিক তালুকদার, বালাগঞ্জ
উপজেলা আওয়ামীলীগের
সহসভাপতি আজিজুর রহমান লকুস,
আবুবক্কর সিদ্দিক, যুগ্ম সাধারন
সম্পাদক ও বালাগঞ্জ ইউপি’র সাবেক
চেয়ারম্যান এমএ আব্দুল মতিন,
যুক্তরাজ্য যুবলীগের সিনিয়র সদস্য
মোতাহির আলী সুহেল, লন্ডন মহানগর
যুবলীগের অর্থসম্পাদক আজাদুর
রহমান আজাদ, জেলা সেচ্ছাসেবক লীগ নেতা আর,বি,এম মকবুল আলি,
দেওয়ানবাজার
ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ
সম্পাদক আব্দুল কাদির খসরু,
বালাগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের
আহবায়ক মো. রফিকুল আলম, উপজেলা
স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মো.
ফারুক আহমদ, উপজেলা ছাত্রলীগের
সাবেক সাধারণ সম্পাদক কবি তুহিন
মনসুর, সিলেট জেলা ছাত্রলীগ নেতা
একে টুটুল, বালাগঞ্জ উপজেলা
ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রুবেল
আহম প্রমূখ।
শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে
তেলাওয়াত করেন হাফিজ মাছুম
আহমদ। সভায় উপজেলা ৬টি
ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ ও সহযোগী
সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী
মিছিল সহকারে মতবিনিময় সভায়
যোগদান করেন।

নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী আনোয়ারুজ্জাম চৌ: মতবিনিময় সভা!

বালাগঞ্জে আনোয়ারুজ্জামান
চৌধুরী'র মতবিনিময় সভা সম্পন্ন!
আতাউর রহমান কাওছার,
ওসমানিনগর প্রতিনিধি :
সিলেটের বালাগঞ্জ উপজেলার
বোয়ালজুড় ইউনিয়নের কালিবাড়ী
বাজারে আওয়ামীলীগ যুবলীগ
ছাত্রলীগের উদ্যোগে আয়োজিত
মতবিনিময় সভা ৫ই ফেব্রুয়ারি (রোজ
সোমবার) অনুষ্ঠিত হয়,
আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুল
মান্নানের সভাপতিত্বে ও
বোয়ালজুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের
সাধারণ সম্পাদক জাহেদ রিপনের
পরিচালনায়, ছাত্রলীগ নেতা
হাফিজ মাসুম আহমদের কোরআন
তেলাওয়াতের মাধ্যমে মতবিনিময়
সভার কার্যকম শুরু হয়,
এতে প্রধান অতিথি, বক্তব্য রাখেন
সিলেট -২ আসনের আওয়ামীলীগের
মনোনয়ন প্রতত্যাশী, যুক্তরাজ্য
আওয়ামীলীগের যুগ্ন সাধারণ
সম্পাদক আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী,
প্রধানবক্তা হিসাবে বক্তব্য রাখেন
সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও
বালাগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী
লীগের সভাপতি মোস্তাকুর রহমান
মফুর,
বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত
ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন,
ওসমানীনগর উপজেলা আওয়ামী
লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক
আব্দাল মিয়া জেলা যুবলীগের
সভাপতি শামীম আহমদ,বালাগঞ্জ
উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ
সভাপতি আজিজুর রহমান লকুছ,আবু
বক্কর,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল
মতিন,সিলেট জেলা সেচ্ছাসেবকলীগ
নেতা আর.বি.এম মকবুল আলী,
উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক রফিকুল
আলম, বালাগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছা
সেবকলীগের সভাপতি ফারুক আহমদ,
যুক্তরাজ্য যুবলীগের সিনিয়র
মেম্বার, প্রগতি সমাজ কল্যাণ
সংঘের প্রধান উপদেষ্টা মোঃ
মোতিহির আলী সুহেল,
লন্ডন মহানগর যুবলীগের সদস্য,২নং
বোয়ালজুর ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক
সাধারণ সম্পাদক সেলিম আহমদ,
বালাগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের
সাবেক সাধারণ সম্পাদক সিলেট
কেন্দ্রীয় সমবায় ব্যাংকের পরিচালক
কবি তুহিন মনসুর,মজনু মেম্বার
,বালাগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের
সাধারণ সম্পাদক রুবেল আহমদ,
সিলেট জেলা ছাত্রলীগ নেতা এ,কে
টুটুল, সহ উপস্থিত আওয়ামীলীগ,
যুবলীগ, ছাত্রলীগ, সর্বস্তরের
জনসাধারণ প্রমুখ।

শুক্রবার, ১০ নভেম্বর, ২০১৭

নর্দান আয়ারল্যান্ড বি,এন,পির সভাপতি মনোনিত হলেন; সিলেট জেলা আ:লীগের সেক্রেটারি শফিক চৌ:সহচর,জামাত নেতা আ:রব!

নর্দান আয়ারল্যান্ড বি,এন,পির কমিটিতে সভাপতি; সিলেট জেলা আঃলীগের সাঃ সম্পাদক শফিক চৌঃ সহচর জামাত নেতা আঃ রব!

নর্দান আয়ারল্যান্ড প্রতিনিধিঃ

যুক্তরাজ্য নর্দান আয়ারল্যান্ড শাখার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বি,এন,পির প্রস্তাবিত কমিটিতে সভাপতি এককালের আওয়ামীলীগের নীতিনির্ধারক,
সিলেট জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক এম,পি শফিকুর রহমান চৌধুরী'র একান্ত সহচর আঃ রব।

তিনি দীর্ঘদিন আওয়ামীলীগের রাজনিতির সাথে জড়িত ছিলেন,
প্রবাস জীবনে বর্তমান  সরকারের নিষিদ্ধ ঘোষিত মানবতার অপরাধে জড়িত সংঘটন জামাতে ইসলামীর তূখুড় নেতা আঃ রব 'কে

যুক্তরাজ্য নর্দান আয়ারল্যান্ড শাখা বি,এন,পির সভাপতি মনোনীত করায় তৃনমূল বি,এন,পি ও অঙ্গ সংঘটনে ক্ষোভ দেখা দেয়।

একটি সুত্র জানায় বি,এন,পি নর্দান শাখায় গুরুত্বপূর্ণ এ পদ আঃ রব'কে দেওয়ায় নেতাকর্মীরা গ্রুপে-উপগ্রুপে দলীয় কোন্দলে জড়িয়ে পড়েন,

এমন অভিযোগ করেন সিনিয়র নেতৃবৃন্দ তারা মনে করেন এমন হাইব্রীড ব্যক্তিকে দলে স্থান দিলে অচিরেই ধ্বংস অনিবার্য,
তারা এহেন পরিস্থিতির সুষ্ঠ সমাধান চান।

সোমবার, ১৪ আগস্ট, ২০১৭

শোকের পোস্টারে ভোটের ঘ্রাণ।

শোকের পোস্টারে ভোটের
ঘ্রাণ
তুষার আবদুল্লাহ।
অভিজাত কফিখানায় যাবার
অভ্যেস নেই। নিমন্ত্রণ পেলেও
সাহসে কুলোয় না। যদি শীততাপ
নিয়ন্ত্রিত সেই কফিখানাতে
গিয়েও ঘামে ভিজে যাই! তারপরও
মাঝে মধ্যে দাপ্তরিক কারণে
যেতে হতো বাধ্য হয়ে। সেদিনও
গেলাম। একজনের দাওয়াতে।
যানজট সাঁতরে যখন পৌঁছি, দেখি
তিনি আসর জমিয়ে বসেছেন।
সরকার দলীয় নেতা বলে দাবি
করেন। লোকে অবশ্য বলে হবু
নেতা। তবে বেশভূষাতে তিনি
নেতা বনে গেছেন বলা যায়। চুলের
ভঙ্গিও তেমন। বুকে নৌকা প্রতীক।
এই প্রতীকের জাদুতে তিনি
আড্ডায় তরতর করে সিঁড়ি পার হয়ে
যাচ্ছেন।
রকমারি কমিটির সভ্য, সভাপতি
থেকে শুরু করে মন্ত্রীর চেয়ারে
বসারও স্বপ্ন বুনে যাচ্ছেন। আসরের
মোসাহেবরা তাতেই জো আচ্ছা,
জো আচ্ছা বলে ধুয়ো তুলছেন। খুব
দ্রুতই নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ
হারিয়ে ফেললেন সেই হবু
নেতাটি। প্রশ্ন রাখতে থাকলেন-
আওয়ামী লীগের কয়েক জন
পরীক্ষিত নেতার মুক্তিযুদ্ধের
অবদান নিয়ে। কথায় কথায়
নিজেকে বঙ্গবন্ধু সৈনিক বলে
দাবি করলেও, তার আচরণ বরং
আওয়ামী লীগের যে কোন কর্মীর
জন্যই বিব্রতকর। তিনি আগামী
ভোটের টিকেট পকেটে গুঁজেই
রাজা-উজীর মেরে যাচ্ছেন,
এমনটাই তার দাবি। আওয়ামী
লীগের দুঃসময়ে, বঙ্গবন্ধুকে হত্যা
করার পর যারা প্রতিবাদ
করেছিলেন, আগলে রেখেছিলেন
তাঁর আদর্শ এই হবু নেতা তুড়ি
মেরে সেই সৈনিকদের উড়িয়ে
দিচ্ছেন। আমি দেখছি তার বচন ও
দামি সিগারেটের ধোঁয়ায়
কিভাবে দূষিত হচ্ছে সৃজনশীল
রাজনীতি। তৃণমূলের রাজনীতিতে
কিভাবে পড়ছে নগরের আস্তরণ।
ঐ আভিজাত কফিখানা থেকে
বিষণ্ণ মনে অফিসে ফিরছিলাম।
শ্রাবণে ভেজা শহর। ক্ষতবিক্ষত
পথ, নোনা ধরা দেয়াল
দেখছিলাম। নোনাধরা দেয়াল
কখনো কখনো নস্টালজিক করে
তোলে। ফিরিয়ে নিয়ে যায়
পূর্বের দিন গুলোতে। নোনা ধরা
দেয়ালে পোষ্টার লাগালে, তা
আপনাতেই ওঠে আসতো। সিনেমার
কতো পোস্টার এভাবে তুলে
নিয়েছি। নোনাধরা দেয়ালে
পোস্টার সাঁটানোর অভিজ্ঞতাও
আছে। সেই দিন গুলোতে ফিরে
যেতে দেখি দেয়াল জুড়ে আছে
পোস্টার। ফ্লাইওভারের দখল
নিয়েছে পোস্টার। আগস্ট
পেরোচ্ছি। ১৫ আগস্টের দিন কয়েক
বাকি। দেয়ালের পোস্টার শোক
দিবসকে উপলক্ষ্য করে হলেও,
সেখানে ম ম করছে ভোটের গন্ধ।
যে নেতাকে হত্যা করা হয়েছে,
সেই বঙ্গবন্ধুর ছবি অতিক্ষুদ্র ভাবে
ব্যবহার করা হয়েছে নামে মাত্র।
পোস্টারের জমিন জুড়ে সম্ভাব্য
প্রার্থীদের ছবি, তাদের
নির্বাচনী এলাকার নাম বড় বড়
হরফে লেখা। আবার ভোট
প্রার্থীদের বাইরেও নয়া গজানো
নেতারও নিজেদের প্রতিকৃতি
দিয়ে পোস্টার ছেপেছেন।
সেখানে বঙ্গবন্ধুর জন্য চিমটি
খানিক জায়গা বরাদ্দ। এই দৃশ্য যে
কেবল রাজধানীতে তা নয়,
দেশজুড়েই চলছে এমন শোক
বাণিজ্য।
এই শোক বাণিজ্য নিয়ে কথা
হচ্ছিল আওয়ামী লীগের একজন তরুণ
নেতার সঙ্গে। তিনি ধাপে ধাপে
তৃণমূল সংগঠন থেকে ওঠে আসছেন।
তিনি দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললেন-
দেখেন আমরা রাজনীতি করার
জন্য সংগঠন করছি। বঙ্গবন্ধু এবং
তাঁর আদর্শ আমাদের প্রণোদিত
করেছে রাজনীতি করতে। কিন্তু
আপনি যাদের কথা বলছেন, যারা
বুকে নৌকা প্রতীক নিয়ে ঘুরে
বেড়ান, বঙ্গবন্ধু এবং দলের প্রতি
তাদের এই দৃশ্যমান ভালবাসার
আড়ালে ব্যবসার টঙ্কার বাজে।
তারা কেউ এসে দলে ভিড়েন
ব্যবসার সুরক্ষার স্বার্থে, আর কেউ
আসেন ব্যবসা ধরতে। এই দুইপক্ষের
চাপে বঙ্গবন্ধুর অর্গানিক
সৈনিকেরা এখন চিড়ে চ্যাপ্টা।
তাদেরই বরং এখন আদর্শের
পরীক্ষা দিতে হচ্ছে
অনুপ্রবেশকারী এমন সৈনিকদের
কাছে। এ বড় লজ্জার, শোকেরও।
লেখক : বার্তা প্রধান, সময় টিভি।

রবিবার, ২৩ জুলাই, ২০১৭

ছাত্রদলের সেই নেতারা কে কোথায়?

সংবাদ >> রাজনীতি

ছাত্রদলের সেই নেতারা কে কোথায়?

বিধিতেই বন্দি বিএনপিসহ ২৮ রাজনৈতিক দল


সংবাদ >> রাজনীতি

বিধিতেই বন্দি বিএনপিসহ ২৮ রাজনৈতিক দল

সহায়ক সরকার নানা ফতোয়া


সংবাদ >> রাজনীতি

সহায়ক সরকার নানা ফতোয়া

22 Jul, 2017
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মৃত্যুর পর বহুদিন হলো। শেরেবাংলা নগরের অপারেশন থিয়েটারেই জন্ম হয়েছিল এ ব্যবস্থার। মৃত্যুও এখানে। যদিও বলা হয়, সুপ্রিম কোর্টের রায়ের কারণেই এটা করা হয়েছে। বিচারপতি এবিএম খায়রুল হক যখন ত্রয়োদশ সংশোধনী মামলার রায় ঘোষণা করেছিলেন তখন দুই মেয়াদে এ ব্যবস্থাকে ‘হালাল’ বলা হয়েছিল। কিন্তু অবসরে যাওয়ার পর তিনি যে রায় লেখেন, সেখানে আর বিষয়টি উল্লেখ করেননি। অনেক আইনবিদই এর কঠোর সমালোচনা করেছেন। কেউ বলেছেন, এটা প্রতারণা।
সে যাই হোক, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার দাবি বিএনপিও এখন আর তোলে না। নতুন দাবি হিসেবে সামনে এসেছে ‘সহায়ক সরকারের’ কথা। যদিও ওই সরকার দেখতে কেমন, তার আকার-আকৃতি কী সে ফর্মুলা এখনো বিএনপি হাজির করেনি। দলটির প্রধান বেগম খালেদা জিয়া এখন লন্ডনে অবস্থান করছেন। যেখানে দীর্ঘদিন থেকেই বাস করছেন তার বড় ছেলে এবং দলের সিনিয়র
ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বলাবলি আছে, লন্ডন সফর শেষে দেশে ফিরে খালেদা জিয়া তার সহায়ক সরকারের ফর্মুলা হাজির করবেন। তবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এরইমধ্যে তার ভাষায় লন্ডন মার্কা সহায়ক সরকার বাংলাদেশের জনগণ মানবে না বলে ঘোষণা দিয়েছেন।
বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে সমঝোতার নজির একেবারেই কম। হয়তোবা এ অঞ্চলের মানুষ সমঝোতা পছন্দ করেন না। অতীতে খুব কম রাজনৈতিক সংকটেরই আলোচনার টেবিলে সমাধান হয়েছে। এমনকি বিদেশি অতিথিদের মধ্যস্থতায়ও কোনো কাজ হয়নি। সর্বশেষ ৫ই জানুয়ারির নির্বাচনের আগে দুই দলকে এক টেবিলে বসিয়েছিলেন তারানকো। কিন্তু বসাতেই সার। ওই সংলাপেও কোনো সমাধান হয়নি। এরআগে আবদুল মান্নান ভূঁইয়া আর আবদুল জলিলের ব্যর্থ সংলাপের বিখ্যাত নজির তো রয়েছেই। এখন অবশ্য পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে গেছে ‘সংলাপ চাহিয়া লজ্জা দিবেন না’ এমন কথাও লেখা হয়।
বিএনপি সহায়ক সরকারের ফর্মুলা আনুষ্ঠানিকভাবে হাজির না করলেও এ ব্যবস্থা নিয়ে রাজনীতিতে গেল কিছুদিন ধরেই বাত কি বাত চলছে। নানা ফতোয়া হাজির করছেন রাজনীতির মুফতিরা। অনেকেই স্মরণ করেছেন, ২০১৩ সালের শেষ দিকের কথা। যখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী দলগুলোকে নিয়ে সর্বদলীয় সরকার গঠনের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। বিএনপিকেও সে সরকারে যোগদানের আহ্বান জানানো হয়েছিল। আলোচনার জন্য খালেদা জিয়াকে গণভবনে আমন্ত্রণও জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু বিএনপি সে প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে। পরে জাপা থেকে ছয় মন্ত্রী নিয়ে ২০১৩ সালের ১৯শে নভেম্বর ৩০ সদস্যের সর্বদলীয় সরকার গঠন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বর্তমান মন্ত্রিসভাতেও বিভিন্ন দলের প্রতিনিধিত্ব রয়েছে। মন্ত্রিসভায় আওয়ামী লীগের বাইরে জাতীয় পার্টির তিন, জাসদ, ওয়ার্কাস পার্টি ও জেপির একজন করে সদস্য রয়েছেন।
আওয়ামী লীগ নেতারা এরইমধ্যে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, দলটি সংবিধানের বাইরে যাবে না। শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারই হবে সহায়ক সরকার। তাদের বক্তব্য, সারা দুনিয়াতে যেভাবে হয়, বাংলাদেশেও সেভাবেই হবে। অন্য কিছু না। শেখ হাসিনার সরকারই নির্বাচনের ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনকে সহযোগিতা করবে। অন্যদিকে, বিএনপি বলছে, প্রয়োজনে সংবিধান সংশোধন করতে হবে। তাদের মুখেও পুরনো বক্তব্য, সংবিধানের জন্য মানুষ নয়। মানুষের জন্যই সংবিধান।
এক্ষেত্রে কোনো কোনো পর্যবেক্ষক বলছেন, সংবিধানের ভেতরে থেকেও সমাধান সম্ভব। তবে তা কঠিন। কারণ ২০১৩ সালের অক্টোবর-নভেম্বর আর বর্তমানের পরিস্থিতি এক নয়। বর্তমানে সংসদে বিএনপির কোনো প্রতিনিধিত্ব নেই। এক্ষেত্রে টেকনোক্রেট কোটায় বিএনপির প্রতিনিধি হয়তো মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান জিএম কাদের গণমাধ্যমকে বলেছেন, বর্তমান মন্ত্রিসভায় সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী পাঁচটি দলের প্রতিনিধি রয়েছেন। বিদ্যমান মন্ত্রিসভার আকার কিছুটা কমিয়ে বিএনপি থেকে কয়েকজনকে যুক্ত করে একটি নির্বাচনকালীন সরকার গঠন করা সম্ভব। সংবিধান মেনেই সেটা করা সম্ভব। বিএনপির অন্যতম পরামর্শক হিসেবে পরিচিত, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক এমাজ উদ্দীন আহমদও মনে করেন বর্তমান সংবিধানের অধীনে সমাধান সম্ভব। কোনো কোনো পর্যবেক্ষক বলছেন, টেকনোক্রেট কোটা ছাড়াও যদি রাজনৈতিক সমঝোতা হয় সেক্ষেত্রে উপ-নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপি দলীয় কাউকে পাস করিয়ে সংসদে নিয়ে এসে সরকারে অন্তর্ভুক্তি সম্ভব।
তারানকোর সঙ্গে ৫ই জানুয়ারির নির্বাচনের আগে যখন দুটি প্রধান দলের সংলাপ হয় তখন নানা ফর্মুলা আলোচনায় ছিল। নির্বাচনের সময় প্রধানমন্ত্রীর নির্বাহী ক্ষমতা কমানোর বিষয়টিও সে সময় আলোচনায় ছিল। তবে সে আলোচনা বেশিদূর এগোয়নি। মাঝপথেই আলোচনা থামিয়ে দেয়া হয়। পর্যবেক্ষকরা বলছেন, বাংলাদেশে ১০টি সাধারণ নির্বাচনের মধ্যে ছয়টি দলীয় সরকারের অধীনে হয়েছে। সবসময়ই ক্ষমতাসীনরা নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন। এ বিষয়টি সরকার এবং বিরোধী উভয় পক্ষের মনেই কাজ করে। যে কারণে আলোচনার টেবিলে যেকোনো সংকটের সমাধানই কঠিন হয়ে পড়ে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, সবদিক থেকেই বর্তমান সরকার শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। সরকারের ওপর দেশি-বিদেশি কোনো চাপ নেই। এক্ষেত্রে বিরোধীদের সঙ্গে কোনো ধরনের সমঝোতায় পৌঁছাতে বা আলোচনার টেবিলে বসতে ক্ষমতাসীনরা ভবিষ্যতে বড় কোনো চাপের মুখে পড়বে এমন কোনো সম্ভাবনাও আপাতত নেই। রাজনীতিতে হঠাৎ করে তেমন কিছু হয় না। ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে প্রেক্ষাপট। বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, রোজার ঈদের পরই দলটি সহায়ক সরকারের ফর্মুলা হাজির করবে। এখন দেখা যাচ্ছে, কোরবানির ঈদের পরও তা উপস্থাপন করা হয় কিনা- তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। উপস্থাপনে বিএনপি সময় নিলেও এবং বিরোধীপক্ষ ইতিহাসের দুর্বলতম অবস্থানে থাকলেও কোনো কোনো পর্যবেক্ষক বলেন, সামনের দিনগুলোতে রাজনৈতিক পরিস্থিতি সহায়ক সরকার ফর্মুলাকে ঘিরেই জটিল হবে।
মানবজমিন

সংসদ নির্বাচন হবে ভোটযুদ্ধ আর টাকার যুদ্ধ


সংবাদ >> রাজনীতি

সংসদ নির্বাচন হবে ভোটযুদ্ধ আর টাকার যুদ্ধ

21 Jul, 2017
আগামী জাতীয় নির্বাচন হবে টাকার লড়াই। এমনটাই মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। দুই দলের অভ্যন্তরে যোগাযোগ করেও এমন আভাস পাওয়া গেছে। টানা নয় বছরের শাসনামলে আওয়ামী লীগ প্রার্থীদের হাতেই নয়, দলীয় ব্যবসায়ীদের হাতেও অর্থের পরিমাণ বেড়েছে। ওয়ান ইলেভেন থেকে এক দশক ক্ষমতাসীনদের দমন-নিপীড়নের মুখে পতিত হলেও বিএনপির আগের শাসনামলের উপার্জিত অর্থ একেবারে শেষ হয়ে যায়নি।
এমনকি বিএনপি নেতৃত্ব মনে করে, সেই সময়ে ব্যবসা বাণিজ্যে তারা যাদেরকে সাহায্য দিয়েছিলেন তারাও বিমুখ করবেন না। দুই দলেরই শাসনামলে বাইরে চলে যাওয়া টাকা ভোটযুদ্ধে এসে শক্তি যোগাবে। এমনকি এই অর্থের শক্তিতে অতীতের সকল নির্বাচনের চেয়ে আগামী ভোটযুদ্ধে আওয়ামী লীগ সুবিধাজনক অবস্থায় থাকলেও খুব বেশি পিছিয়ে থাকবে না বিএনপি। কারণ বিএনপির জন্য এই নির্বাচন হবে অস্তিত্বের লড়াই। সেখানে ক্ষমতার জন্য রীতিমতো জুয়ার বাজি খেলবে বিএনপি।
অন্যদিকে ২৭ বছর ক্ষমতার বাইরে থাকা জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদের জন্য বলা হচ্ছে এই ভোটযুদ্ধ শেষ ভোটযুদ্ধ। কারণ তার বয়স হযেছে। এবারই তিনি আখেরি লড়াইয়ে আসতে চান। ভোটের রাজনীতি সামনে রেখে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। অর্থ সংকটেও থাকলেও আগামী নির্বাচনে ভূতে যোগাবে এরশাদের ভোটের টাকা। এমন কথা ইতিমধ্যে চালু হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন থেকে নিবন্ধন বাতিল হলেও, যুদ্ধাপরাধের মামলায় শীর্ষ নেতাদের ফাঁসি হলেও, মামলা-মোকদ্দমায়, দমন-পীড়নে অনেকটা আত্নগোপনে চলে গেলেও জামায়াত যেকোনো মূল্যে আগামী সংসদের তার প্রতিনিধিত্ব চায়। জামায়াতের অর্থনৈতিক সামাজ্য হাতছাড়াও হলেও ভোটযুদ্ধে অর্থ যোগানে তাদের কোনো অসুবিধা হবে না।
ভোটের বাজারে টাকা ঢুকবে আগামী নির্বাচনে। জামায়াত জোটেই থাকুক আর বাইরের থাকুক ৫০ জন প্রার্থীর তালিকা চূড়ান্ত করেছে। এখান থেকে ১০ টি আসনে জেতার জন্য মরণ লড়াইয়ে নামবে দলটি।
সব মিলিয়ে আগামী জাতীয় নির্বাচন সবার জন্য চ্যালেঞ্জের। আর সেই ভোটযুদ্ধে দলীয় প্রার্থীদের জিতিয়ে আনতে নেতাকর্মীরা পরিশ্রমই নয়, অর্থের ছড়াছড়ি করতে কাপর্ণ্য করবেন না। ভোটের লড়াই পরিণত হবে টাকার লড়াইয়ে। আর নির্বাচন কমিশনের বেঁধে দেয়া অর্থ খরচের যে সীমা তা কেউ আমলে নিবেন না বলে পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন।
উৎসঃ   purboposhchim

বিএনপির ভোট নেবে, প্রতীক নেবে না জামায়াত!


সংবাদ >> রাজনীতি

বিএনপির ভোট নেবে, প্রতীক নেবে না জামায়াত!

বিএনপির সদস্য হতে নারী ও তরুণদের ব্যাপক আগ্রহ

রাজনীতি

বিএনপির সদস্য হতে নারী ও তরুণদের ব্যাপক আগ্রহ

খালেদা জিয়ার লন্ডন মিশনের অন্তরালে কী?

সংবাদ >> রাজনীতি

খালেদা জিয়ার লন্ডন মিশনের অন্তরালে কী?


গোয়েন্দা রিপোর্টে আওয়ামী লীগ প্রার্থীদের অবস্থা ভালো নয়

সংবাদ >> রাজনীতি

গোয়েন্দা রিপোর্টে আওয়ামী লীগ প্রার্থীদের অবস্থা ভালো নয়


সূরায়ে ফাতিহা!

সূরা আল ফাতিহার বাংলা ও ইংরেজি অর্থ ইসলাম ডেস্ক: সূরা ফাতিহা (মক্কায় অবতীর্ণ), এর আয়াত সংখ্যা 7 ﺑِﺴْﻢِ ﺍﻟﻠّﻪِ ﺍﻟﺮَّﺣْﻤـَﻦِ ﺍﻟﺮَّﺣِﻴﻢ...