জেনে নিন কিশোরী মেয়েদের ত্বক ও চুলের যত্ন

ডেস্ক : টিনএজ বা কিশোরী মেয়েদের নিজের ত্বক ও চুলের যত্নে জানা যাক প্রয়োজনীয় কয়েকটি বিষয়।
ত্বকের যত্ন
টিনএজদের ত্বক অনকে বেশি কোমল, সতেজ থাকে এবং এর হিলিং বা মেরামত করার ক্ষমতাও বেশি। তাই অল্প পরিচর্যায়ও ভালো ফল পাওয়া যায়। ত্বকের মরা কোষ দূর করার জরুরি। তাই প্রতিদিন স্ক্রাবার ব্যবহার করুন ত্বকের মরা কোষ ঝরিয়ে ফেলার জন্য্ যাদের ত্বক তৈলাক্ত তারা তৈলাক্ত এরিয়াগুলোর প্রতি বেশি যত্ন নিন।
• পায়ের যত্ন নিতে ভুলবেন না। ওয়াক্স করলে সাথে সাথে ঠাণ্ডা পানিতে গোসল করে নেবেন। নখের যত্ন নিতে হবে। নেইলপলিশ ব্যবহার করলে প্রথমে এক কোট বেজ নেইলপলিশ লাগিয়ে নিন। এতে নখ হলদে হবে না। নখ লম্বা হবে যত্নের বিষয়ে আরো সচেতন হতে হবে।
টিনএজদের ত্বক অনকে বেশি কোমল, সতেজ থাকে এবং এর হিলিং বা মেরামত করার ক্ষমতাও বেশি। তাই অল্প পরিচর্যায়ও ভালো ফল পাওয়া যায়। ত্বকের মরা কোষ দূর করার জরুরি। তাই প্রতিদিন স্ক্রাবার ব্যবহার করুন ত্বকের মরা কোষ ঝরিয়ে ফেলার জন্য্ যাদের ত্বক তৈলাক্ত তারা তৈলাক্ত এরিয়াগুলোর প্রতি বেশি যত্ন নিন।
• পায়ের যত্ন নিতে ভুলবেন না। ওয়াক্স করলে সাথে সাথে ঠাণ্ডা পানিতে গোসল করে নেবেন। নখের যত্ন নিতে হবে। নেইলপলিশ ব্যবহার করলে প্রথমে এক কোট বেজ নেইলপলিশ লাগিয়ে নিন। এতে নখ হলদে হবে না। নখ লম্বা হবে যত্নের বিষয়ে আরো সচেতন হতে হবে।
চুলের যত্ন
চুলকে সুন্দর, ঝলমলে রাখতে নিয়মিত চুলের যত্ন নিতে হবে।
• চুল নিয়মিত পরিষ্কার রাখা হচ্ছে প্রথম কাজ। তাই সপ্তাহে অন্তত দুই দিন চুলে শ্যাম্পু ও কন্ডিশনিং করতে হবে। শ্যাম্পু করার আগে চুলে হট অয়েল ম্যাসাজ চুলকে ঝলমলে করতে সাহায্য করবে।
• যারা চুলে হাইলাইটস করতে চান, তারা খুব চড়া রঙ না করে বরং আপনার চুলের কাছাকাছি রঙে হাইলাইটস করান।
• সহজে ম্যানেজ করা যায় এমন হেয়ার কাট করুন। যেমন লেয়ারস। এ ধরনের কাট সব পোশাকের সাথেই মানায়।
• অনেকেরই তৈলাক্ত ত্বকের কারণে তৈলাক্ত মাথার স্কাল্পও তৈলাক্ত হয়ে যায়। তাদের জন্য বেবি পাউডার খুব ভালো কাজ করবে। এ ছাড়া ড্রাই শ্যাম্পুও ব্যবহার করতে পারেন।
• চুলে খুব বেশি আয়রনিং, ব্লোডায়ার ব্যবহার করা ঠিক নয়। এতে চুল ড্যামেজ হয় দ্রুত। বরং চুলের নিচের অংশে হালকা কালি করে নেয়া যেতে পারে। এতে চুলের ক্ষতি যেমন কম হবে, তেমনি দেখতেও বেশ স্টাইলিশ দেখাবে।
• অনেকেই তাদের চুল ঠিকমতো ম্যানেজ করতে পারে না। তারা অন্য কারোর সাহায্য নেবেন। টেনে ছিঁড়ে চুল আঁচড়াবেন না। এতে চুল স্থায়ীভাবে ড্যামেজ হয়ে পড়তে পারে।
চুলকে সুন্দর, ঝলমলে রাখতে নিয়মিত চুলের যত্ন নিতে হবে।
• চুল নিয়মিত পরিষ্কার রাখা হচ্ছে প্রথম কাজ। তাই সপ্তাহে অন্তত দুই দিন চুলে শ্যাম্পু ও কন্ডিশনিং করতে হবে। শ্যাম্পু করার আগে চুলে হট অয়েল ম্যাসাজ চুলকে ঝলমলে করতে সাহায্য করবে।
• যারা চুলে হাইলাইটস করতে চান, তারা খুব চড়া রঙ না করে বরং আপনার চুলের কাছাকাছি রঙে হাইলাইটস করান।
• সহজে ম্যানেজ করা যায় এমন হেয়ার কাট করুন। যেমন লেয়ারস। এ ধরনের কাট সব পোশাকের সাথেই মানায়।
• অনেকেরই তৈলাক্ত ত্বকের কারণে তৈলাক্ত মাথার স্কাল্পও তৈলাক্ত হয়ে যায়। তাদের জন্য বেবি পাউডার খুব ভালো কাজ করবে। এ ছাড়া ড্রাই শ্যাম্পুও ব্যবহার করতে পারেন।
• চুলে খুব বেশি আয়রনিং, ব্লোডায়ার ব্যবহার করা ঠিক নয়। এতে চুল ড্যামেজ হয় দ্রুত। বরং চুলের নিচের অংশে হালকা কালি করে নেয়া যেতে পারে। এতে চুলের ক্ষতি যেমন কম হবে, তেমনি দেখতেও বেশ স্টাইলিশ দেখাবে।
• অনেকেই তাদের চুল ঠিকমতো ম্যানেজ করতে পারে না। তারা অন্য কারোর সাহায্য নেবেন। টেনে ছিঁড়ে চুল আঁচড়াবেন না। এতে চুল স্থায়ীভাবে ড্যামেজ হয়ে পড়তে পারে।
খাবারদাবার
• যেহেতু সময়টা বাড়ন্ত, তাই শরীরে সঠিক পরিমাণে ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়া প্রয়োজন।
• ফাস্টফুড, কোমল পানীয়, চকলেট, চিপস এগুলো কম খেলেই ভালো।
• প্রোটিন ও ভিটামিনযুক্ত খাবার খেতে হবে। সেই সাথে প্রতিদিন পানি ও পানীয় পান করতে হবে পর্যাপ্ত।
• প্রতিদিন সময় ধরে খেতে পাররে শরীর ও মন দুটোর জন্যই ভালো হবে।
এগুলোর পাশাপাশি পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও হালকা ব্যায়াম অবশ্যই করতে হবে সুস্থ থাকার জন্য।
• যেহেতু সময়টা বাড়ন্ত, তাই শরীরে সঠিক পরিমাণে ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়া প্রয়োজন।
• ফাস্টফুড, কোমল পানীয়, চকলেট, চিপস এগুলো কম খেলেই ভালো।
• প্রোটিন ও ভিটামিনযুক্ত খাবার খেতে হবে। সেই সাথে প্রতিদিন পানি ও পানীয় পান করতে হবে পর্যাপ্ত।
• প্রতিদিন সময় ধরে খেতে পাররে শরীর ও মন দুটোর জন্যই ভালো হবে।
এগুলোর পাশাপাশি পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও হালকা ব্যায়াম অবশ্যই করতে হবে সুস্থ থাকার জন্য।
মেকআপ
• এ সময় প্রসাধনী ব্যবহারে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। কারণ ত্বকের ধরন না জেনে প্রসাধনী ব্যবহার করলে ত্বকে নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে, যা পছন্দ হবে তাই ব্যবহার না করে প্রথমে পরীক্ষা করে দেখে নিন সেটা আপনার ত্বকে অ্যাডজাস্ট করছে কি না।
• ব্রণপ্রবণ ত্বকে ফাউন্ডেশন ব্যবহার করা ঠিক নয়।
• এ সময় প্রসাধনী ব্যবহারে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। কারণ ত্বকের ধরন না জেনে প্রসাধনী ব্যবহার করলে ত্বকে নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে, যা পছন্দ হবে তাই ব্যবহার না করে প্রথমে পরীক্ষা করে দেখে নিন সেটা আপনার ত্বকে অ্যাডজাস্ট করছে কি না।
• ব্রণপ্রবণ ত্বকে ফাউন্ডেশন ব্যবহার করা ঠিক নয়।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন